উত্তরাখন্ড সীমান্তে লাল ফৌজ বাড়াচ্ছে নজরদারি , এমনটাই দাবি গোয়েন্দা বিভাকের

ভারতের লাদাখ সীমান্তে ক্রমশই সক্রিয় হচ্ছে ভারত ও লাল ফৌজ। পূর্ব লাদাখের সীমান্ত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ এর মধ্যেই আর সীমাবদ্ধ নিয়েই উত্তাপ।





ভারতের লাদাখ সীমান্তে ক্রমশই সক্রিয় হচ্ছে ভারত ও লাল ফৌজ। পূর্ব লাদাখের সীমান্ত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ এর মধ্যেই আর সীমাবদ্ধ নিয়েই উত্তাপ। সমগ্র লাদাখ সীমান্তেই উত্তাপ বাড়ছে ক্রমশ। লাদাখ ছাড়াও বেশ কিছু সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছে লাল ফৌজ , এমনই দাবি গোয়েন্দা বিবাকের।

 বৃহস্প্রতিবার একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চীনের সংঘর্ষের পর থেকেই বেজিং প্রশাসন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর নজরদারি বাড়িয়ে চলছে। তাই ভারতের তরফেও এই দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর চীন উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার বড়োহটির সীমান্তের ঠিক অন্নপ্রান্তে টুনু জুন লা এলাকায় নজরদারি ব্যবস্থা উন্নতি করেছে। বড়োহোতি থেকে টুনু জুন লা মাত্র তিন কিলোমিটার। এখানেই লাল ফৌজ তাদের ডিভাইস গুলোকে আপগ্রেট করেছে ইতিমধ্যে।

 গোয়েন্দা সূত্রের মোতে চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘুরতে পারে এমন দুটি কেমেরা বসিয়েছে। এই এলাকায় বেশ কয়েকটি খুঁটি বসিয়েছে তারা। লাল ফৌজ সেখানে সৌর প্যানেল ও ইউন্ডমিল তৈরি করতে চাইছে বলে সূত্রের খবর। বেশ কয়েকটি সীমান্ত লাগোয়া জায়গায় নির্মাণ কাজ শুরু করেছে তারা। সূত্রের খবর ২০১২ সালে টুনু জীন লা জেলাতে একটি নজরদারি সিস্টেম ইন্স্টল্ করেছিল তারা। চলতি মাসে তা আপগ্রেড করা হয়েছে। একটি ক্যামেরা এমন ভাবে সেট করা হয়েছে তাতে বোঝা যায় যে তারা ভারতীয় সেনার ওপর নজরদারি চালাতে কতটা সক্রিয়।

 আগেই গোয়েন্দারা জানিয়েছিল মায়ানমার সীমান্তে লাল ফৌজ সক্রিয় হয়েছে। সেখানেও বসানো হয়েছে একটি রেডার যার মাধ্যমে কালাম দ্বীপ ও আসামের তেজপুর এয়ারবেসের ওপর নজর রাখতে পারে চীন এমটাই দাবি গোয়েন্দা মহলের।

২০২০-২০২১ নতুন শিক্ষা বর্ষে স্নাতকস্তরে ভর্তির বিশদ জানতে আরো পড়ুন 

0/Post a Comment/Comments

Stay Connected

Business